1. admin@dailypratidinerbarta.com : admin :
সোমবার, ০৪ মার্চ ২০২৪, ০৪:০২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মুন্সিগঞ্জ টঙ্গীবাড়ী প্রেস ক্লাবে সাংবাদিকদের সাথে আরিফ হালদারের মতবিনিময় সভা জাতীয় ভোটার দিবস উপলক্ষ্যে রূপগঞ্জে র‌্যালি ও আলোচনা সভা জম্মু ও কাশ্মীরের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পাহাড়ে ধাক্কা তেলের টাংকার, চালক নিহত  সিদ্ধিরগঞ্জে মহাসড়কে ট্রাকের ধাক্কায় প্রাণ গেল বৃদ্ধার, আহত ৩ বিশ্বের মসজিদের ইতিহাসে জায়গা করে নিয়েছে টাঙ্গাইলের ২০১ গুম্বজ মসজিদ মধুপুরে মসলা জাতীয় ফসলের মাঠ দিবস পালিত মুন্সীগঞ্জে আলোচিত জিল্লু হত্যার তিন আসামি পলাতক। ফতেহপুর শাহ ফতেহ মাহমুদ খান ফাযিল মাদ্রাসা’র পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত রংপুর জেলার শ্রেষ্ঠ এস, আই ও শ্রেষ্ঠ বিট অফিসার পীরগাছা থানার ফারুক আহমেদ ও এ, এস, আই রশিদুল ইসলাম- দেশের প্রভাবশালী ব‍্যক্তিদের তালিকায় এক নম্বরে প্রধানমন্ত্রী মোদি

২০৪১ সাল পর্যন্ত সহায়তা অব্যাহত রাখবে আইএমএফ

  • আপডেট সময় : সোমবার, ১৬ জানুয়ারি, ২০২৩
  • ৪৬ বার পঠিত

অনলাইন ডেস্ক:-
২০৪১ সাল নাগাদ বাংলাদেশকে একটি উন্নত, সমৃদ্ধ ও উচ্চ আয়ের দেশে উত্তরণে সহায়তা অব্যাহত রাখবে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)। সোমবার (১৬ জানুয়ারি) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে গণভবনে সাক্ষাতকালে আইএমএফের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর অন্তোনিয়েতে মোনসিও সাইয়েহ এ আশ্বাস দেন।

এই কর্মকর্তা বলেন, ২০৪১ সাল নাগাদ বাংলাদেশের একটি উন্নত, সমৃদ্ধ ও উচ্চ আয়ের দেশে উত্তরণের আকাঙ্ক্ষা রয়েছে এবং এটা বাস্তবায়নে আইএমএফ বাংলাদেশকে তার সহায়তা অব্যহত রাখবে। আইএমএফ দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের উন্নয়ন সহযোগী এবং তিনি এই সম্পর্ককে আরও জোরদার করতে এসেছেন।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ বেল-আউটের জন্য কোনও ধরনের সহযোগিতা চায় না। বরং পূর্বপ্রস্তুতি হিসেবে বাংলাদেশ সহযোগিতা চেয়েছে। প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, আমরা কোনও ধরনের বেল-আউট চাই না। আমাদের এই কর্মসূচিটি বেইল-আউট নয়।

বৈঠকের পর প্রধানমন্ত্রীর স্পিচ রাইটার মো. নজরুল ইসলাম সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।

আইএমএফ এর ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর বলেন, গোটা বিশ্ব কোভিড-১৯ এর অভিঘাতের কারণে চ্যালেঞ্জের সম্মুখিন হয়েছে। পাশাপাশি রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে একটি কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে পড়ে গেছে। তিনি বলেন, উদ্ভূত পরিস্থিতিতে, বাংলাদেশের মতো উদীয়মান অর্থনীতির দেশগুলো মুদ্রাস্ফীতি সংক্রান্ত চাপ, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য বৃদ্ধি ও বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ সংক্রান্ত নানা ধরনের সমস্যার সম্মুখিন হয়েছে। এসব সমস্যা মোকাবিলায় বাংলাদেশের প্রচেষ্টায় আইএমএফ পাশে থাকবে।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, কোভিড-১৯ অভিঘাত, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ এবং যুদ্ধের সূত্র ধরে নিষেধাজ্ঞা ও পাল্টা নিষেধাজ্ঞার কারণে বাংলাদেশের উন্নয়নে গতি মন্থর হয়েছে। বাংলাদেশও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য বৃদ্ধির কারণে কঠিন পরিস্থিতি অতিবাহিত করছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে নিম্ন আয়ের মানুষকে সহায়তা করতে সরকার সামাজিক সুরক্ষা জাল ও খাদ্য কর্মসূচি বাড়িয়েছে।

শেখ হাসিনা বলেন, সরকার দারিদ্র দূরীকরণ ও খাদ্য নিরাপত্তার লক্ষ্যে বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মসূচি হাতে নেওয়ার পাশাপাশি হতদরিদ্র মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে সামাজিক সুরক্ষা জালের আওতা বাড়িয়েছে। টিসিবি ও ভিজিএফ কার্ডের মাধ্যমে তাদের মাঝে খাদ্য ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় জিনিস বিতরণের মতো নানা পদক্ষেপ নিয়েছে। বাংলাদেশ খাদ্য উৎপাদন বাড়াতে পতিত জমিগুলোকে চাষাবাদের আওতায় নিয়ে এসেছে।

এসময় তিনি বিগত এক দশকে নারীর ক্ষমতায়ন, শিক্ষা, কৃষি ও ৬ শতাংশ ডিজিপি প্রবৃদ্ধিসহ বিভিন্ন খাতে সরকারের সাফল্য তুলে ধরেন। তিনি বলেন, চলমান বিশ্ব পরিস্থিতিতে অনেক উন্নত দেশের নিম্ন আয়ের মানুষও কঠিন সময় পার করছে।

আইএমএফের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের ভূয়োসী প্রশংসা করেন। প্রধানমন্ত্রীও তার সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মসূচি তুলে ধরে বলেন, এ ধরনের কর্মসূচির লক্ষ্য হচ্ছে- দারিদ্র দূরীকরণ ও দরিদ্র জনগোষ্ঠীর খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। এ বিষয়ে তিনি আরও বলেন, ইয়ং বাংলা মুভমেন্টের মতো উদ্যোগের মাধ্যমে আত্মনির্ভরশীল হতে উচ্ছুক তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।

শেখ হাসিনা নারী ক্ষমতায়ন ও নারী শিক্ষার জন্য সরকারের গৃহীত নানাবিধ পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৬০ শতাংশ শিক্ষক নারী। এছাড়াও মাধ্যমিক পর্যায়ে মেয়ে ও ছেলেদের লিঙ্গভিত্তিক অনুপাত যথাক্রমে ৫৩ শতাংশ ও ৪৭ শতাংশ।

সরকার আইসিটিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ ও পদক্ষেপ নেওয়ায় আমাদের দেশে একটি শক্তিশালী তরুণ ফ্রিল্যান্সার শ্রেণি গড়ে উঠেছে। কমিউনিটি ক্লিনিক থেকে সেবা প্রদানের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, গ্রামে বসবাসকারী নারীরা এর প্রকৃত সুফলভোগী।

বৈঠকে আইএমএফ প্রতিনিধি দল প্রধানমন্ত্রীর কাছে দুটি ছবি হস্তান্তর করে। ১৯৭২ সালের ১৭ আগস্ট আইএমএফের আর্টিকেল অব এগ্রিমেন্ট স্বাক্ষরকালে ছবি দুটি তোলা হয়েছিল।

বৈঠককালে অর্থমন্ত্রী আহম মোস্তফা কামাল, প্রধানমন্ত্রীর আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপদেষ্টা প্রফেসর ড. গওহর রিজভী, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মো. তোফাজ্জল হোসেন মিয়া, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার, জ্যেষ্ঠ অর্থ সচিব ফাতিমা ইয়াসমিন ও ঢাকায় নিযুক্ত আইএমএফ এর স্থায়ী প্রতিনিধি জয়েন্দু দে উপস্থিত ছিলেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২২ © দৈনিক প্রতিদিনের বার্তা ©
Theme Customized By Shakil IT Park