1. admin@dailypratidinerbarta.com : admin :
মঙ্গলবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ০৬:৩৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
আশুলিয়ায় মানসিক ভারসাম্যহীন এক যুবককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ বকশীগঞ্জে বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসার ২৪তম ক্যাম্পের উদ্বোধন রূপগঞ্জে পাওনা টাকা চাওয়ায় ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা ভাংচুর লুটপাট॥ আহত ৩ শ্রীবরদীতে সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে  সচেতনতামূলক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত  নবনিযুক্ত প্রশাসককে শুভেচ্ছা চট্টগ্রাম আন্তঃজিলা ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়নের দুবাই বিমানবন্দর ৯ কোটি যাত্রীকে আতিথেয়তা দিয়েছে। আরও এক প্রতিবাদী কৃষকের মৃত্যু, পরিবারকে চাকরির দাবি  মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন মুখ‍্যমন্ত্রী মনোহর যোশী প্রয়াত  নতুন সিনেমায় শিশির সরদার ৫ বছরে দেশকে যে জায়গায় নিয়ে যেতে চান

২৫০ বছর ধরে বাবা বিশ্বনাথের পাগড়ি তৈরি করছে মুসলিম পরিবার

  • আপডেট সময় : বুধবার, ১ মার্চ, ২০২৩
  • ৫৩ বার পঠিত

ডেস্ক রিপোর্ট:-
ভারতে চলছে হোলির প্রস্তুতি। পুরো দেশ এখন হোলির আমেজে। বেনারসে হোলির সূচনা হয় রংভারী একাদশী দিয়ে। এই দিনে কাশীর মানুষ রং-গুলাল নিয়ে বাবা বিশ্বনাথ গৌরের সঙ্গে হোলি খেলতে যান।

এ সময় বাবা বিশ্বনাথের রৌপ্য মূর্তিকে খাদি কাপড় ও আকবরী টুপি পরানো হয়। দারুণ ব্যাপার হলো বেনারসের একটি মুসলিম পরিবার গত ২৫০ বছর ধরে এই আকবরী টুপি তৈরি করে। যার জন্য তারা মজুরিও নেন না। প্রতিবারের মতো এবারও বাবার বিশেষ পাগড়ি তৈরি হচ্ছে, যার জন্য জড়ো হয়েছে মুসলিম পরিবার।

রংভারী একাদশীতে বাবা এই পাগড়ি পরে গৌর অর্থাৎ পার্বতীকে নিতে শ্বশুর বাড়িতে যান। এই সময় থেকে বেনারসে হোলি উৎসব শুরু হয়। বাবার রৌপ্য মূর্তি যখন খাদির পোশাক পরে এবং পাগড়ি পরে বেরিয়ে আসে, ভক্তরা তার দিকে তাকিয়ে থাকেন। বড় কথা হলো বাবা বিশ্বনাথের মহন্ত পরিবার মুসলিম পরিবার থেকে পাগড়ি বানানো শুরু করেছিল, যা আজও চলছে।

পাগড়ির কারিগর গিয়াসউদ্দিন বলেন, এই পর্বটি শুরু হয়েছিল তার প্রপিতামহকে দিয়ে। যারা রংভারী একাদশীতে বাবার রৌপ্য মূর্তির জন্য পাগড়ি তৈরি করেন। গত ২৫০ বছর ধরে তার পরিবার এই বিশেষ পাগড়ি তৈরি করে। যার জন্য কোনো ফি নেওয়া হয় না।

গিয়াসউদ্দিন জানান, তিনি সবসময় বাবার কৃপা ও ভক্তি করার সুযোগ পেয়েছেন, যা তিনি এবং তার পরিবার আনন্দের সঙ্গে করেন।

এটাই বেনারসের সৌন্দর্য। প্রতিটি সম্প্রদায় বেনারসের হোলিতে অংশ নেয়। হোলির রঙে ধর্ম আর জাত দুটোই মিশে যায়। যেখানে প্রতিটি সম্প্রদায়কে তাদের প্রধান ভূমিকা পালন করতে দেখা যায়। তাদের মধ্যে একটি হলো এই মুসলিম পরিবার, যারা গত ২৫০ বছর ধরে খুব ভালোভাবে এ দায়িত্ব পালন করে আসছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২২ © দৈনিক প্রতিদিনের বার্তা ©
Theme Customized By Shakil IT Park