1. admin@dailypratidinerbarta.com : admin :
মঙ্গলবার, ১৮ জুন ২০২৪, ০৬:২১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :

নীলফামারীতে তীব্র শীত, তাপমাত্রা নেমেছে ৮.২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে

  • আপডেট সময় : মঙ্গলবার, ১৭ জানুয়ারি, ২০২৩
  • ৭০ বার পঠিত

নীলফামারী প্রতিনিধি:-
মাঘের শুরুতে উত্তরের জেলা নীলফামারীতে তাপমাত্রা আরও কমেছে। মঙ্গলবার (১৭ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় জেলায় দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৮ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। এ সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯৬ শতাংশ ও বাতাসের গতিবেগ পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৫-৬ কিলোমিটার বেগে বয়ে যাচ্ছে।

এতে ঘন কুয়াশা ও ঠান্ডা বাতাসে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। কুয়াশার কারণে দিনের বেলা বাতি জ্বালিয়ে চলাচল করছে দূরপাল্লার ভারী যানবাহন। শহরে লোক চলাচল ছিল না বললেই চলে। জরুরি কাজ ছাড়া কেউ বাড়ির বাইরে বের হচ্ছেন না। কনকনে ঠান্ডায় সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন ছিন্নমূল ও খেটে খাওয়া মানুষ। অনেকে খড়কুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছেন।

জেলা শহরের বড় বাজার ট্রাফিক মোড়ে রিকশাচালক সাইদুল ইসলাম (৩৯) বলেন, ‘গত রাত থেকে যে ঠান্ডা পড়ছে, তবুও ছেলেমেয়ের খাবার যোগাড় করতে রিকশা নিয়ে বের হয়েছি। এই কনকনে ঠান্ডায় শহরের লোকজনের চলাচল নেই। শীতে রোজগারও কমে গেছে।’একই মোড়ের জুতার কারিগর পতিরাম রায় (৪৭) বলেন, ‘সকাল থেকে এক টাকারও কাজ হয়নি। কুয়াশায় শহরে লোকজনের চলাচল একেবারেই কমে গেছে। পেটে চালানোর জন্য বাজারে এসেছি।’

নীলফামারী শহরের নিউ বাবুপাড়ায় মেসে রান্নার কাজ করা আলেয়া বেগম (৫৫) বলেন, ‘মেসে রান্না না করলে পেটে ভাত জোটে না। বাদ্য হয়ে ঠান্ডায় পানির কাজ করতে হয়। পানিতো নয়, যেন বরফ। পানি হাত-পায়ে লাগলেই অবশ হয়। এবার একখান শীতের কম্বলও পাইনি। সকালে ঠান্ডায় জীবন যায় যায় অবস্থা। একখান কম্বল পাইলে শীতখান গেলো হায়।’

সৈয়দপুর বিমানবন্দরের আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. লোকমান হাকিম জানান, আজ সকাল ৯টায় ৮ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়। জেলায় গতকাল সোমবার সকাল ৯টায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১০ দশমিক শূন্য ডিগ্রি সেলসিয়াস ও সর্বোচ্চ ১৯ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়। সকালে বাতাসের আর্দ্রতা ছিল শতকরা ৯৬ শতাংশ ও বাতাসের গতিবেগ ছিল পশ্চিম দিকে থেকে ঘণ্টায় ৯ কিলোমিটার। তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রির নিচে থাকলে তাকে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বলে।

নীলফামারী জেলা প্রশাসক পঙ্কজ ঘোষ বলেন, ‘জেলা প্রশাসনের পক্ষে এ পর্যন্ত ছয় উপজেলায় ৩১ হাজার ৫০০ কম্বল বিতরণ করা হয়েছে।’ সরকারের পাশাপাশি এনজিও ও বিভিন্ন ব্যক্তি প্রতিষ্ঠানকে শীতার্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর অনুরোধ জানান তিনি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২২ © দৈনিক প্রতিদিনের বার্তা ©
Theme Customized By Shakil IT Park