1. admin@dailypratidinerbarta.com : admin :
শনিবার, ২০ জুলাই ২০২৪, ০২:১৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
একে একে বেরিয়ে আসছে এনবিআরের ‘কালো বিড়াল’, কোথায় কী সম্পদ মুন্সীগঞ্জে রাস্তার পাগলকে বদলে দিলেন সেবায় মানবকল্যাণ টিম শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টায় এক যুবক আটক মুন্সীগঞ্জে শুক্রবার প্রধানমন্ত্রী সর্বাত্মক নিরাপত্তা ব্যবস্থা ডিসি মতলব উত্তরে ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে চার পরিবার সমাজচ্যুত মুন্সীগঞ্জে শুক্রবার প্রধানমন্ত্রী আগমনে বিষয়ে যা বললেন এমপি মুন্সীগঞ্জে পদ্মায় প্রধানমন্ত্রী আগমনে জেলা পুলিশ সুপার ব্রিফিং মতিউরের চার ফ্ল্যাট ও জমি ক্রোকের নির্দেশ কয়রায় যৌতুক নির্যাতনের শিকার হয়ে ঘর ছাড়া মা -মেয়ে বুয়েট শিক্ষার্থী ফারদিন হত্যা মামলার অধিকতর তদন্ত প্রতিবেদন ১ আগষ্ট

৯০ লাখ টাকা কে দেবে, এ নিয়ে বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে বসবো: শামীম ওসমান

  • আপডেট সময় : বুধবার, ২৯ মে, ২০২৪
  • ৪৭ বার পঠিত
{"remix_data":[],"remix_entry_point":"challenges","source_tags":["local"],"origin":"unknown","total_draw_time":0,"total_draw_actions":0,"layers_used":0,"brushes_used":0,"photos_added":0,"total_editor_actions":{},"tools_used":{"addons":3},"is_sticker":false,"edited_since_last_sticker_save":true,"containsFTESticker":false}

মোঃ ফিরোজ শাঁই,নিজস্ব প্রতিবেদকঃ-

নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য এ কে এম শামীম ওসমান বলেছেন, ‘আমি লজ্জিত। আমরা ভেবেছিলাম এবার এ জায়গা শুকনা থাকবে। ফতুল্লার লালপুর এলাকা ফতুল্লার হার্ট। এখানে রাস্তা উঁচু এলাকা নিচু। তাই তিন লাখ মানুষ প্রায় পানিবন্দি হয়ে আছে। আমরা এখানে তিনটি পানির মোটর পাম্প বসিয়েছিলাম। এখানে একটি ট্রান্সফরমার ছিল, সেটা খুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ট্রান্সফরমার না হলে তিনটা পাম্প চালানো যাবে না। এটার কারণে প্রচুর পানি জমে রাস্তা ও মসজিদ, মন্দিরে প্রবেশ করছে।’

বুধবার (২৯ মে) বিকালে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা লালপুরের জলাবদ্ধ এলাকা পরিদর্শন শেষে তিনি এ কথা বলেন।

ট্রান্সফরমারের টাকার জোগান দেবেন উল্লেখ করে শামীম ওসমান বলেন, ‘এই পানি টানতে ৭২ ঘণ্টা লাগে। তবে একটা ট্রান্সফরমার লাগবে। একটা ভালো ট্রান্সফরমারের ব্যবস্থা করো, আমি টাকা দেবো। যদি আর বৃষ্টি না হয়, তাহলে দুই দিনের মধ্যে এ পানি সরে যাবে। তবুও আমি টাকা রেডি রেখেছি। ওটা লাগালে যত পানি আসুক টেনে বের করে দিতে পারবো।’

বকেয়া বিল পরিশোধ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘এখানে ৩১৫ কিলোওয়াটের ট্রান্সফরমার লাগে। এটা ছিল এখানে, খুলে নেওয়া হলো কেন? এখান থেকে ৯০ লাখ টাকা বকেয়া বিল আছে। এগুলো পরিশোধ হয়নি, কে পরিশোধ করবে? ইউনিয়ন পরিষদ বা আমার পক্ষে সম্ভব নয়। ৩১৫ কিলোওয়াটের ট্রান্সফরমার না হলে তিনটা পাম্প চালানো যাবে না। আমি জেলা প্রশাসকের সঙ্গে কথা বলেছি। ৯০ লাখ টাকা কে দেবে? এ নিয়ে আমাদের বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে বসবো। এটা মওকুফ হলে হবে, নয়তো আমরা ব্যবস্থা করবো। কিন্তু এর পরের বিল কে দেবে। আমি চেয়ারম্যান সাহেবদের বলবো আগের থেকে ব্যবস্থা করার জন্য।’

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন- জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান চন্দন শীল, ফতুল্লা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ফায়জুল ইসলাম, বক্তাবলী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শওকত আলী, মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক শাহ নিজামসহ প্রমুখ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২২ © দৈনিক প্রতিদিনের বার্তা ©
Theme Customized By Shakil IT Park